Posts

Showing posts from October, 2017

সত্যদার দোকান

বয়েস সাড়ে চার, ফ্রকের হাফহাতা থেকে বেরিয়ে ছোট্ট হাত. .মুঠিতে ধরা দুটাকার নোট। পাড়ার ভেতরের বড়ো রাস্তায় সাইকেল বেশি চলে, মাঝে মাঝে স্কুটার। তাও ভালো করে এদিক ওদিক দুবার করে দেখে দেখে রাস্তা পার হয় ফ্রক,  সেরকমই নির্দেশ ছিল.. ভীষণ বাধ্য ।   উল্টোদিকে সত্যদার দোকান। বয়েসে হয়ত সত্যজেঠু হবেন, তবু বাবা মা যা বলে, সত্যদা তাই। দাদা..!! চিনির ঠোঙা শক্ত করে ধরে গুটি গুটি বাড়ি ফেরে মেয়েটা। তার ছোট্ট জীবনের সবচেয়ে বড়ো অ্যাচিভমেন্ট। সত্যদার দোকান থেকে চিনি কিনে আনা.. মধ্যবিত্ত পাড়ার সবচেয়ে চালু দোকান, ওপরে শাটারের মাথায় টিনের ঢাকনায় হলুদের ওপর লাল রঙে কিছু একটা নাম লেখা ছিল। অক্ষরগুলো অকালে ঝরে যাওয়ায়,টিনের ওপরে শুধু আলগা লাল রঙের টুকরো লেগে থাকতো। আর জেগে থাকতো নিচের ট্যাগলাইন, জানিনা, হয়তো ওই রংটা বেশি পোক্ত ছিল বলে - "বিবিধ গ্রোসারি এবং স্টেশনারি দ্রব্য পাওয়া যায়"।  দোকানের নাম কেউ জানতোনা আর তার প্রয়োজনও ছিলোনা। সেযুগে সব দোকানের নামই 'লাল্টুর', 'হরিপদর' 'সত্যদার' হতো। রিক্সায়ালারাও ওই নামেই ভাড়া নিতেন। অতিথিরা সত্যদার দোকানের উল্টোদিকের বা পাশের বা পেছনের গল...