রায়গড়
ছোটবেলা থেকেই শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের সদাশিবের গল্প পড়ে পড়ে শিবাজী সম্পর্কে আমার দারুণ আগ্রহ ছিল.. বীর শিবাজী, বুদ্ধিমান শিবাজী, ছত্রপতি শিবাজী। ঘটনাচক্রে চাকরি সূত্রে গিয়ে পড়লাম পুণে। খাসা জায়গা, চমৎকার জীবন। সত্যি বলতে জীবনের সেরা সময়গুলোর মধ্যে একটা কাটিয়েছি পুণের ফ্ল্যাটে। বন্ধুবান্ধব, অবাধ স্বাধীনতা, কম হোক-বেশি হোক-নিজের উপার্জন। পায়ের তলায় মাটি আর মাথার ওপরে খোলা আকাশ। পুণের আশেপাশে, মহারাষ্ট্রের অগুন্তি দ্রষ্টব্য স্থানগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ দেখা হয়ে গেছিলো আমাদের। একটা বেড়িয়ে আসা শেষ না হতেই, পরেরটা প্ল্যান করে ফেলতাম আমরা। টুক করে একবার রায়গড় যাওয়া হলো.. প্ল্যান সেরকম কিছু করা হয়নি, হঠাৎই ঠিক হয়েছিল। স’ এর মা, কাকিমা, আমরা চারমূর্তি আর উদু। সহ্যাদ্রির বর্ষা, যাকে বলে মনোরম। চারদিকের রুক্ষ, শুকনো, বাদামি জমির ওপর ঝলমলে সবুজের ভেলভেট আস্তরণ। সেই সবুজের আবার নানা শেড.. 'মেরাওয়ালা গ্রীন'। একটু ওপরে উঠলেই মেঘের মধ্যে ঢুকে পড়া.. আর পাহাড়ের প্রত্যেকটা খাঁজে একটা করে মরশুমি ঝর্ণা। তো সেইসব মনোরম রাস্তা দেখতে দেখতে হুল্লোড় করতে করতে গিয়ে পৌঁছলাম একটা পাহাড়ের মাথায়। গাড়ির রাস্তা...