কনকাম্বরম
কদিন আগে দুই বন্ধু হাম্পির কথা মনে করালো। বছর দশেক আগে সৌম্যর জন্য একটা ফরমায়েশি গল্প লিখেছিলাম। গল্পটা মনে থাকলেও, লেখাটা খুঁজে পাচ্ছিলামনা। অগত্যা আবার লিখতে হলো। অনেকদিন কিছু পোস্ট করা হয়না। তাই গল্পটায় অতি চেনা ছক, অতিবর্ণন, এইসব সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, ছেপেই দিলাম। *** ছোট ছোট ঢেউয়ের তালে দুপুরের সূর্য কুচি কুচি হয়ে জ্বলছে। একটানা তাকিয়ে থাকা যায়না, ঝিলমিল লেগে যায়। কালো গ্রানাইটের থামে হেলান দিয়ে বসে আছে সৌম্য। থামের ঠান্ডা পাথর থেকে আরাম ছড়িয়ে পড়ছে ওর পিঠে। বাইরের রোদের এলোমেলো গরম হাওয়া বোধহয় জলের ওপর দিয়ে বয়ে আসতে আসতে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। ঘাম শুকিয়ে যাচ্ছে, শরীর জুড়িয়ে যাচ্ছে, মন শান্ত হয়ে যাচ্ছে। পুরন্দরদাসের মন্টপের চারপাশে স্থবির দুপুরটা আরামে ঝিমোচ্ছে। বিটঠল মন্দিরের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে কাল এই জায়গাটা খুঁজে পেয়েছে সৌম্য। রাস্তার সামনে এ এস আই এর নীল বোর্ড পেরিয়ে চৌকো পাথরের চাতাল, তার পেছনে একটা হলঘর, অনেকটা নাটমঞ্চের মতো। পেছনে তিরতির করে বয়ে চলেছে তুঙ্গভদ্রা। তারই ধারে দালানের একটা থামে হেলান দিয়ে আজ জিরোচ্ছিলো ও। হাম্পি এসে থেকে সৌম্যর মনটা রোমান্সে ছেয়ে গেছে। শরদিন্দুর...