জন্মসূত্রে পাওয়া
একদিন ভাবতে বসেছিলাম জন্মসূত্রে কি কি পেয়েছি। কেন ভাবতে গেছিলাম, তার শুরু খুঁজতে গেলে প্রচুর ব্যাখ্যান পাড়তে হবে। তো সে কথা থাক।
মুখ চোখ নাকের গড়ন, গায়ের রং, কালো সরু সোজা চুল। ডায়াবেটিসের আভাস - আশংকা, উচ্চতায় খামতি।
পরিচয় পেয়েছি একগাদা। পদবি, গোত্র, জাতি-ধর্ম থেকে শুরু করে দেশ, রাজ্য, জেলা, পাড়া অবধি খুঁজে ফেলতে পারা উৎস..
বাবার থেকে ভালো গুলো অল্প কিছু কিছু পেয়ে থাকলেও, ধৈর্য পাইনি একটুও।
খুঁজতে গিয়ে, ভাবতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে গেছি। কত কত কিছু, কত ধরণের পাওয়া।
কিছু না করেই, কিছু না ভেবেই পেয়ে গেছি এগুলো।
যদি এগুলো না পেয়ে অন্য কিছু পেতাম? আমার ভাবনা চিন্তা, বড় হয়ে ওঠা সব অন্যরকম হতো.. ভালো কি মন্দ জানিনা।
কোনটা অন্য রকম পেলেও আমি খুব অখুশি হতাম না? আবার কোনটা অন্যরকম হলে চলতো না? কোনটা অন্যরকম হলে বেশ ভালো হতো?
এসব ভাবতে গিয়ে আরোই ঘেঁটে-ঘ হয়ে যাচ্ছিলাম।
শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম, আমার হাতে প্রচুর সময়, কাজ কম। তাই টিভি খুলে বসলাম। নেটফ্লিক্স এবং চিল..
তবে একটু একটু করে ভাবতে ভাবতে একটা ব্যাপার সম্পর্কে আমি নিশ্চিত হয়েছি।
জন্মসূত্রে পাওয়া একটা পরিচয়ের জন্যই সত্যি সত্যি গর্ব হয়।
যদি জন্মান্তর সত্যি হয়, আবার যেন বাঙালি হয়েই জন্মাই। রবীন্দ্রনাথের লেখা যেন ঠিক মতো বুঝতে পারি। সুমনের সব গান যেন ঠিকমতো মনে আবার দাগ কাটতে পারে।
জাতপাত, বৈষম্য, আচার বিচার যে জীবনে থাকতে পারে, সেটা অনেক বড়োবেলায় জানতে পেরে যেন আবার অবাক হই।
আমার আলসেমি, একগুঁয়েমি, হিংসুটেমি সব সত্বেও আমি যে নিজেকে খুব অপছন্দ করিনা, সেই সব কারণ গুলোর পেছনে আমার বাঙালি হয়ে জন্মানোটা খুব জরুরি ছিল বলেই আমার মনে হয়..
জন্মসূত্রে পাওয়া আমার বাংলা
স্বাধীনভাবে ভাবতে পারার শিক্ষা আর
আর বাবার আঁকা ছবিগুলো..
Baaaa bassa Besshhh beshhh
ReplyDeleteThanku
DeleteEta to besh.....
ReplyDeleteথ্যাংক ইউ
Deleteথ্যাংক ইউ
DeleteEta fatafati
ReplyDeleteথ্যাংক ইউ
Delete